চুলের যত্নে কি কি খাওয়া উচিত

500.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন

570 in stock

SKU: ( 15 , ) কাটা ও পোড়া দাগ দূর করার ক্রিম Categories: , Tag:

Description

চুলের যত্নে কি কি খাওয়া উচিত

চুল পরিচ্ছন্ন না রাখলে চুল যেমন ঝরে পড়ে, একইভাবে সঠিক ডায়েট মেনে না চললেও চুল ঝরে পড়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই স্বাস্থ্যজ্জোল চুল পেতে ও চুল ঝরে পড়া রোধ করতে আপনার প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে পুষ্টিকর খাবার রাখা জরুরি।

ডিম
এটি প্রোটিনের একটি বড় উৎস। এছাড়াও এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিংক, সেলেনিয়াম, সালফার ও আয়রন। আয়রন চুলের গোড়ায় রক্ত ও অক্সিজেনের সরবরাহ নিশ্চিত করে। এছাড়া আয়রনের অভাবে উদ্ভুত রোগ যেমন এনেমিয়া নারীদের চুল পড়ে যাবার একটি বড় কারণ।

ডাল
ডাল উদ্ভিজ্জ প্রোটিন যা আমাদে দেহের কোষ বৃদ্ধিতে কাজ করে। এটি চুলের কোষ বৃদ্ধিতে অনেক সহায়তা করে। এতে চুল দ্রুত বাড়ে এবং চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় ও রুক্ষতা দূর হয়। তাই খাদ্য তালিকায় ডাল রাখুন।

সামুদ্রিক মাছ
সামুদ্রিক মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি, যা চুলকে করে তোলে শক্ত ও মজবুত। সামুদ্রিক প্রায় সব মাছেই রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যা চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। সার্ডিন মাছ, ট্রাউট মাছ, স্যামন মাছ, টুনা মাছ ইত্যাদিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩। অ্যাভোকাডো ও মিষ্টি কুমড়ার বীজেও রয়েছে প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড।

হাঁস-মুরগীর মাংস
এসব মাংস প্রোটিনের উত্তম উৎস। এছাড়াও এতে রয়েছে চুলের স্বাস্থ্য উপযোগী উপাদান যেমন জিংক, আয়রন এবং ভিটামিন-বি।

পালং শাক
পালং শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন এবং ফোলাইট। এই সবুজ শাকটি নিয়মিত খেলে আমাদের দেহে হিমোগ্লোবিন-এর মাত্রা বাড়ে এবং এতে চুলের ফলিকল-এ অক্সিজেন পৌঁছায়। এতে করে আমাদের চুল দ্রুত বাড়ে এবং মাথার ত্বক ঠিক থাকে।

গাজর
গাজরেও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ যা চুলের পক্ষে উপকারী। নিত্যদিনের ডায়েটে গাজর রাখলে চুল পড়ার সমস্যায় লাগাম পড়ানো যায়।

পাকা টমেটো
টমেটোতে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা মাথার স্ক্যাল্প-এর রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। এর কারণে চুলের ফলিকল স্টিমুলেটেড হয়। একটি পাকা টমেটো দিয়ে জুস বানিয়ে খেয়ে নিন।

আমলকী
আমরা সবাই চুলের যত্নে আমলকীর গুঁড়া ব্যবহার করি। তবে লবণ দিয়ে চার থেকে পাঁচটি আমলকী চিবিয়ে খেলেও চুল পড়া অনেকাংশে রোধ হবে। আমলকীতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, যা নতুন চুল গজাতে যেমন সাহায্য করে, তেমনি চুল পড়া রোধ করে। এ ছাড়া চুল ঘনও হয়।

শসা
শসাতে আছে যথেষ্ট পরিমাণে সিলিকা, সালফার এবং ভিটামিন-এ। এই উপাদান চুলের বৃদ্ধি ঘটায় এবং চুল পড়া বন্ধ করে। কাঁচা শসার জুস স্বাস্থ্যকর এবং চুল গজাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন খোসাসহ একটি কচি শসা খেলে নতুন চুল গজাবে।

ক্যাপসিকাম
লাল, হলুদ এবং সবুজ ক্যাপসিকাম ভিটামিন-সি এর খুব ভালো উৎস। ভিটামিন সি চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং চুলের ভঙ্গুরতা দূর করতে সাহায্য করে। চুলের সুস্থতায় সালাদ এবং রান্নায় ক্যাপসিকাম রাখার অভ্যাস করুন।

এর পাশাপাশি আমরা কাটা ফাটা দাগ দূর করার একটি ক্রিম  আমাদের আর্টিকেলে দেওয়া আছে তাই যারা কাটা ও পোড়া দাগ নিয়ে  চিন্তায় আছেন তারা দেরি না করে এখনই আমাদের এ ক্রিমটি অর্ডার করে ফেলুন আমাদের ক্রিমটি ব্যবহারের ফলে আপনার কাটাও পোড়া দাগ গুলো খুব সহজে দূর হয়ে যাবে ।

আপনি যদি এই প্রোডাক্ট  টি সংগ্রহ করতে চান তাহলে  আর্টিকেল  সকল নাম্বার গুলো রয়েছে সেগুলো তো ফোন করে মেডিসিন সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে অর্ডার করে দিতে পারেন আপনার প্রয়োজনীয় মেডিসিন আমাদের প্রতিনিধি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পৌঁছে যাবে আপনার ঠিকানায় ধন্যবাদ

আমরা সব  সময় সঠিক তথ্য পরামর্শ গুলো দেয়ার  চেষ্টা করি কিছু তথ্য আমরা সংগ্রহ করে উপস্থাপন করি কিছু তথ্য আমরা নিজস্ব ভাষায় দেয়ার চেষ্টা করি ।  তাই তথ্যগুলো সম্পর্কে আপনার যে কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা মূল্যবান প্রশ্ন অথবা পরামর্শ লিখে জানিয়ে দিন ।

 

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “চুলের যত্নে কি কি খাওয়া উচিত”

Your email address will not be published. Required fields are marked *